এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই ছোট্ট লেখাটা আপনার নজরে আসলে খুব খুশি হব।

অষ্টম পে-স্কেল (বেতন কাঠামো) দেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়ে অনেক জল ঘোলা হল, তাদের অবদানটুকু ভুলে মুহূর্তের মধ্যে নর্দমায় ছুড়ে ফেলার উপক্রমও হল, তা না হলে তাদের জন্য ছোট্ট বরাদ্দটুকু দিতে এত কার্পণ্য কেউ করে কিনা আমার জানা নেই।
মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় মাত্র শ’ তিনেক সরকারি হাই স্কুল, বাদ বাকি প্রায় ১৭ হাজার বেসরকারি হাই স্কুল। আছে মাদ্রাসাও।
যে শিক্ষকরা মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৯৮ ভাগ দায়িত্ব পালন করেন তাদের জন্য ন্যুনতম সম্মানটুকুও বরাদ্দ থাকে না, এটা কেমন কথা!
একযোগে জাতীয়করণ করা হল সকল রেজিস্টার প্রাইমারি তথা কমিউনিটি বিদ্যালয়ও। আপনার (প্রধানমন্ত্রী) সুদৃষ্টি পেয়ে তারা ধন্য হল, আমাদের কি অপরাধ?
আমরাও তো এ দেশের সন্তান, অামরা তো এ দেশের ছেলেমেয়েদের পড়াই, দেশ গড়ার কাজ করি। অথচ এই অমাদের উৎসব ভাতা মাত্র ২৫%, অন্য হিসাবগুলো যে কত নগণ্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এদেরকে আবার জাতি গড়ার কারিগর বলে উপহাসও করা হয়ে থাকে। প্রচলিত আছে এমপিও নামক একটি পদ্ধতি।
প্রাইমারিদের আয়ের উৎস নেই, তারা জাতীয়করণ হতে পারল কিন্তু আমাদের প্রচুর আয়ের উৎস আছে তা হলে আমরা কেন নয়?
শহুরে স্কুল কলেজগুলো ছাত্র-ছাত্রীদের ঘাড়ের কাছে বন্দুক রেখে টাকা আদায় করে যা আপনিও খুব ভাল জানেন। তাই এ দেশের সাধারণ মানুষকে যদি আপনি ভালবাসেন তবে স্কুল-কলেজগুলো একযোগে জাতীয়করণ করুন। এতে তারাই বেশি উপকৃত হবেন। দয়া করে তেলা মাথায় তেল দেয়ার কাজটি করবেন না। প্লিজ।
একটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল-কলেজের একাউন্ট সিল করলেই কোটি কোটি টাকার যোগান হবে; অহেতুক এত ভর্তুকি দেয়া লাগবে না।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s